Saturday, January 15, 2022

ব্লিডিং বরষে



শুয়ে শুয়ে পাতা ওল্টাচ্ছিলাম 'ব্লিডিং বরষে'র। নিজের লেখাজোখা, বর্তা-মরার এটা একটা মুখব্যাদান। ঠিক এর পরে ছিল 'কেন লিখি' সেই ফিরিস্তি। ঠিক তার আগে ছিল, ২০০০-এর বারোটা যখন বেজেছিল সেই ছটফটানি, তার আগে ছিল ২০০০বিষ-এর কবিতা তিনটে, না চারটে। তারও আগে কবেকার ২০১৯ এক, কত উল্লম্ফন, কবিতা কওয়া যায় বা যায় না। আর তারও আগে ছিল (আছে) মদীয় ফ্যান্টাসি, দেখতে পাই।   



গানও শুনছিলাম অবশ্য, এমন এক শিল্পীর, ইউটিউবে, একটাও লাইক নেই, ভিউ চারটা কী পাঁচটা কিন্তু হ্যাঁ তাকে আমি চিনি, 'বারুদ' বলে একটা গান তার অনেক শুনেছি একদা।

Thursday, January 13, 2022

ব্লিডিং বরষে হৃদি। এক রক্তাক্ত হৃদয়ের উপাখ্যান।

|| 'ব্লিডিং বরষে হৃদি'র পাঠ-প্রতিক্রিয়া। কথায় কবি ওয়াহিদার হোসেন ||

ব্লিডিং বরষে হৃদি। এক রক্তাক্ত হৃদয়ের উপাখ্যান। 



ব্লিডিং বরষে হৃদি। এক রক্তাক্ত হৃদয়ের উপাখ্যান। বমিসম্ভুত এক কাব্য। অনর্গল বিষাদ গলাধঃকরণের যেন ফলাফল এই কবিতা সমূহ রাশি। উৎসর্গ করা হয়েছে রু কে তিনি রা নামের সূয্যি দেবের কন্যা, স্ত্রী ফারহানা মানে আনন্দময়ী আর শেফালী এবং চৈতি। উৎসর্গ পত্রেও চূড়ান্ত রকমের ব্যতিক্রমী উদযাপন। হুবহু পড়তে গেলে বইটি কিনে পড়তে হবে। আর হ্যাঁ অবশ্যই এই বই ব্যতিক্রমী তাই স্বাদে মানে স্বোয়াদে একদম রাহেবুলীয় এক গাথা।

 

কবিতাগুলি ভিন্ন ভিন্ন সময়ে লেখা হয়েছে। ‘ঘূর্ণন দেখছি’র শেষ টা এখানে শুরু হয়েছে। সে এক বিজ্ঞাপন আগামী কাব্যির। কবিতাগুলি দু’হাজার উনিশের লেখা।

দ্বিতীয় কবিতা— ‘এইভাবে/এই ভবে/ব্ল্যার/ব্লেডজ কুসুম’

(এই বই পড়ুন ব্লেডজ কুসুম) ভুল করবেন না ‘ক্লেদজ কুসুম’ বলে। ইনি বোদলেয়ার নন আমাদের প্রিয় কবি যিনি প্রথম কবিতায় আমাদের রক্তাক্ত করেন দুমুখি ধারালো এক ব্লেডে।

দুই প্রেমিক প্রেমিকা অনুহ্য থেকেছে। তাদের সংলাপ বিরচিত হয়েছে। কি অসাধারণ কাব্যগুণ—

ঘুম হয়েছে?

না।

ঘুম হয়েছে?

না।

ঘুম হয়েছে কাল?

না।

ঘুমিয়েছ কাল?

ততটা ভালো নয়।”

এরপর চলতেই থাকে দীর্ঘ কবিতাটি।

সাদা পরির সম্মোহন

 

অথবা

 

সেক্সচ্যাট

 

অথবা

 

ব্লেডজ মায়া”

এই হচ্ছে রাহেবুলীয় প্রেমের সংজ্ঞা। যেখানে প্রেম নিয়ে কবিকল্পনা নেই। ঝর্ণা নেই। আছে শুধু শরীরি উত্তাপ আর চূড়ান্ত ভোগবাদী এক প্রজন্মের তুমুল সেক্সচ্যাট। যা স্বাভাবিক। রিয়েল এক পৃথিবীর ছবি তুলে ধরে যেখানে ভোর নেই শুধু ঘুমহীন অনন্তরাত।

একসময় রাষ্ট্র সমাজের পচন উঠে আসে কবি নিশ্চিন্ত স্বাভাবিক উচ্চারণ করেন—

খাপ বসেছে ঘুমের নৈরাজ্যে। ঘুমের বীচিগুলান কেমন আমাছামা লাগে...কেমন ব্ল্যার… কীসব টক্সিসিটি, একসময় নিন্দালু হই।”

ক্লান্ত হতে হতেও কবি আমাদের শেষ ক’টি লাইনে আমাদের সমাজ সভ্যতার ‘ব্ল্যার’ ‘আমাছামা’ অংশটি তুলে ধরে আমাদের নিয়তি দেখিয়ে দেন অথবা সময়সচেতন কবি এখানেই নিস্তব্ধতার গান ফাঁদেন—

ডাংঘড়ির কাটা যেন।

বলে-

পাগলা গারদে কবে যাবি?”

 

ভাষা, শব্দ নির্বাচনে কবি নির্মোহ। দেশীয় রাজবংশী শব্দ অবলীলায় ব্যবহার করেছেন। কবির তির্যক প্রতিবাদ সীমানা অতিক্রম করে আন্তর্জাতিকতার সীমানাও পেরিয়ে গেছে। সমগ্র মানব সমাজ মানচিত্র হয়ে উঠেছে ব্যঙ্গের বিষাদের লক্ষ্যস্থ্ল এবং কারণ—

উলঙ্গরা রাজা, রাজপাট তাহাদের।”

আবার অন্য কবিতায়—

ডান্ডায় বাধা ঝাণ্ডাগুলান সমস্বরে বলে উঠলো: ইনকিলাব

কতেক রামাল্লাহ্‌ আগের মতোই বোবাকালাকানা রহিলেন

পাড়ার গুণ্ডা শুধালো: বাঞ্চোত! শাসকই সময়!”

 

শব্দের স্ফুরণ। অগ্নি। যা ক্রমাগত জ্বালিয়ে গেছে আমাকে। কবিতা পড়তে পড়তে বইটা বহুবার বন্ধ করে বুঝেছি এ আসলে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে আত্মসমালোচনা করার মতো যে এখুনি হয়তো বাথরুম থেকে ফিরে এসে নিজের ধোওয়া আধাধোওয়া প্রত্যেক্টি অংশ পচন দেখতে পাচ্ছে তাকে তুলে ধরছে শব্দ বাক্য কখনো নৈশব্দ্যঃ কখনো আবার স্পেসের মাধ্যমে। বস এই কবিতাগুলি পড়তে গেলে সাহস লাগবে। আর হ্যাঁ এই কবিতা হয় রাস্তায় পাগলের মতো দাঁড়িয়ে থুতু ছিটিয়ে সমাজ সভ্যতার ধর্মের গায় পাঠ করতে পারেন, হবে নতুবা চুপ করে আত্মস্থবির হয়ে যেতে হবে। উল্লেখ্য এই বইয়ে আরও দু’টো গদ্য রয়েছে সেগুলো সম্পর্কে আলোচনা করতে গেলে আরও দীর্ঘ পরিসরের প্রয়োজন। আর হ্যাঁ বইটি বুকসেল্ফে রাখার জন্য নয়। যারা ব্যাতিক্রমী লেখা পড়েন তারা অবশ্যই সংগ্রহ করুন। আর হ্যাঁ বইটি আমাদের উপহার দিয়েছেন প্রকাশক আমাদেরই ভাইবেরাদর সুকান্ত দাস।

 

কবিতার প্রচ্ছদ খুব সুন্দর। করেছেন কৃষ্ণেন্দু নাগ।

প্রচ্ছদের রূপটান সুপ্রসন্ন কুণ্ডুর।

মূল্য আশি টাকা।

প্রকাশক শাঙ্খিক।

 


Tuesday, January 4, 2022

একা আর একক হই

কিছু মানুষকে দেখে প্রথমে হাসি পায়, কখনও কষ্টও পায় খানিক পরে। সবচেয়ে বড়ো যাতনা হলো এগুলো কোথাও বলবার নেই, শোনার কেউ নেই তো। আর শুনলেও বুঝবে তো? জানি না একদিন বেটি রু কেমন হবে বোধে। লেখাজোখায় বা আঁকিবুঁকিতে দৈবাৎ যখন ফিল্টার হয়ে আসে এইসব, তারাও ঠিকই আমার মতন একা আর একক হয়ে ওঠে। এ ধারণা এমনি এমনি নয়। এজন্যও অবশ্য সেই পড়ে থাকে আমাকে পড়াটুকু। কষ্ট কে করবে? কেন করবে? 'ইবলিশ'-এর মতন অনামা-অনিয়মিত পত্রিকা কেন পড়বে কেউ? কেন পড়বে 'মদীয় ফ্যান্টাসি' বা 'ব্লিডিং বরষে' বা 'ঘূর্ণন দেখছি'? কেননা এরা একা ও একক। 



Saturday, January 1, 2022

রাহেবুলের গদ্য...

দুপুর বেলা ঘাসের ওপর শুয়ে শুয়ে তখন। মাথার ওপর একটা চিল ঘুরপাক খাচ্ছিল, শকুনের ন্যায়। মোবাইল তাক করতে তিনি ছবিতে ধরা দিলেন। এবং আমার মনে পড়ল 'যেদিনকে ডানা আর ডুবুরি' গদ্যটার কথা। তারই অংশবিশেষ পাঠক সমীপে।

 

চিলার উড়ান

*********

 

...... আব্বাকে ছোটবেলায় কে নাকি শিখিয়ে দিয়েছিল ‘চিলার উড়ান’। কীভাবে নিজেই চিল হওয়া যায়, ডানা গজিয়ে নিতে হয়, ডানা বেঁধে উড়তে হয় শিখিয়েছিল। বাবা শেখেনি ভালো মতন। ঠকে শেখেনি। ঠকবার গল্প তবু বাবা জানত, বলেছিল। উড়বার তাড়না বাবার একার তো নয়, অনেকের ছিল, থাকে। আজও অমনই আছে দিন বদলে গেলেও, রাত্তির না বদলালেও। বাবা শেখেনি উড়ান, আমিও শিখিনি। শোনাটা কেবল কানে কানে মুখে মুখে চোখে চোখে সরু অলিগলি কিংবা আলপথ হয়ে আমাদের মধ্যে। ভেতরবাড়িতে হাজির। ভেতরবাড়িটা কখনও, কখন দ্যাশবাড়ি হয় আবার। একটা গল্প সকলে জানে ডানা ভাঙার। ভেঙেছিল এক গাঙচিলের। বাংলার পুব হতে সে অতিদূর কোনো কলিকাতা এসেছিল উড়ে উড়ে। বা কলিকাতা থেকে কোথাও কামরূপ-কামতাপুর গেছিল উড়ে উড়ে। এমতন কত উড়ান। কোথা থেকে কোথায় যায় কে। আবার একাধিকটা গল্প জানিনা ডানার, আর তার চিলের। কেউ কেউ। যেমন চিলা রায়। সেও আছিল এক চিল। যেমন পরি। পরিরা নাকি রাজা-রাষ্ট্র-রাক্ষস ইত্যাদির গড়া সীমান্ত পেরতে গিয়ে নিয়ত তাদের ডানা খোয়ায়।........




Saturday, December 25, 2021

‘ব্লিডিং বরষে হৃদি’র পাঠ প্রতিক্রিয়ায় কবি কৌশিক সেন

 

‘ব্লিডিং বরষে হৃদি’র পাঠ প্রতিক্রিয়া— কৌশিক সেন

“সকলই বোধয় ফ্যান্টাসি...

হৃদি বরষে।  ব্লিডিং বরষে।  বরষে যায়...


স্বপন জাল বুনে, যথা মাকড়সার জাল...”


জাল বোনেন কবি রাহেবুল।  সূত্র গেঁথে তোলেন, তাঁর প্রথম কাব্যি “মদীয় ফ্যান্টাসি” ও দ্বিতীয় কাব্যি “ব্লিডিং বরষে হৃদি”র ভেতর।  বিনিসুতোয় এর বিচিত্র মালা গাঁথেন কবি।  অলৌকিক প্রক্রিয়ায় “চুঁয়ে চুঁয়ে শরীর-মন-বোধ-বুদ্ধি-সত্তা থেকে নির্গত হয়ে চলে টক্সিসিটি, কবিতা।”


অবশ্য কবি না লিখলে কি সূত্র খুঁজে পাবেননা পাঠকেরা।  শ্রীমান রাহেবুলের একনিষ্ঠ পাঠকমাত্রই সহজে অনুধাবন করতে পারবেন এই যোগসূত্র।  অপেক্ষা ছিলই প্রায় দেড় বছর ধরে, এই কাব্যির জন্যে।

আসলে কবি সোজা পথে চলেন না কখনই।  নাকি একটু বেশীই সোজা পথে চলেন! শব্দপ্রয়োগে ও ভাবনায় গড়নে পেটনে ভাঙচুর করা ওনার কলমজাত।  কোনো পাঠক হঠাৎ করে পড়তে এলে হোঁচট খাওয়া অবশ্যম্ভাবী।


চেনা ফরম্যাটকে হাতের তালুতে গুঁড়ো গুঁড়ো করাই যদি রাহেবুলের ভবিতব্য হয়ে থাকে, তবে তা আলবত করেছেন উনি।  বেশ করেছেন।  আমরা পাঠকরা এঞ্জয় করি কবির কলম,

 “চাঁদনি রাতি গো।

 চামচিকা সকল বেরিয়েছে প্রণয়ে

 ওয়েলিং জুড়ে ভ্যাম্পায়াররাজ।”

যতিচিহ্ন ব্যাবহারে অভিনবত্ব লক্ষণীয় গত কাব্যি থেকেই।  একটু বেশীই তীব্র করে তোলে কি লেখনীকে!

 “কে ঝুলিয়েছে এইসব দড়ি?

 উচিত ছিল: তাঁর কথাই রাষ্ট্র হওয়া।”

 অথবা

 “সকল কাফেলা ডিম্বের খোঁজে,

 কিংবা যেমতি পালটি খেলে মুখ বা মুখপাত্র: ডিম্ব কারে খোঁজে?”


রাহেবুল তাঁর রচনাকাল নির্ধারণ করেছেন শুরুতেই।  একটা প্রবাহে পড়ে গেলে কিন্তু রচনাকাল গৌণ হয়ে যায়।  কবির কলমে সে দম আছে বৈকি!

তীব্রতা আরও তীব্রতর হয় উপসংহারে। “বধ্যভূমিতে বসে বাধ্য হয়ে” লিখে যাওয়া কবি গদ্য ভাষায় লেখেন, “ইত্যাকার ঈশ্বরকণা বা পরমাণুকণা কারোরই খোঁজে যাইনি আমি কোনোদিন।  অরিজিনালিও আমরা মৃত্যুবিলাসী ছিলাম... কেমন একটা তাগাদা, সেই শেষ বা শুরু, সেখানে পৌঁছোবার...”


শেষ হয়ে হইলনা শেষ: কেন লিখি।  এক অনবদ্য জবানবন্দী।  অবলীলায় লেখেন রাহেবুল, “এই বিগ বিগ ব্যাং-হরিণী-গরু-গিরগিটি-বেজি-ছুঁচোর মেহফিলে নূতন হই, উপজাই, লয় হয়, ক্ষয় হয়।  প্রক্রিয়াটির নাম কবিতা।  গিনিপিগটি আমি।  হতে হতে স্বয়ং কবিতা হই। আর অহং কবি হয়।” 


বিধিবদ্ধ সতর্কীকরণ: যেসব পাঠক কবিতাকে অচলায়তনের মত এক জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখতে চান, তাঁদের এই বইটি না পড়াই ভালো!

শ্রীমান রাহেবুলের জন্য অনেক অনেক শুভ কামনা রইল।


গ্রন্থ: ব্লিডিং বরষে হৃদি

প্রকাশক: শাঙ্খিক

প্রচ্ছদ: কৃষ্ণেন্দু নাগ

মূল্য: 80 টাকা 

যোগাযোগ: +9195474 58178

Friday, December 10, 2021

রাহেবুল সম্পাদিত অপরজন পত্রিকার বিশেষ বিভাগ

 কবি ও গদ্যকার রাহেবুল কর্তৃক সম্পাদিত ‘অপরজন’ পত্রিকার ‘অপ্রকাশিত কবি’ বা ‘আনডকু পোয়েট’ বিভাগ 


"বিভিন্ন সময়ে আমরা দেখেছি, বহু প্রতিভাশালী কবিই অপ্রকাশিত অপ্রচারিত থাকেন – কখনও বা তাঁদের ভাষা আঙ্গিক শৈলীর বিশেষত্বের কারণে, কখনও জনসংযোগ করতে অক্ষম বা অনিচ্ছুক ব’লে, আবার কখনও হয়ত কেবলমাত্র তাঁর ভৌগলিক অবস্থান বা পরিবেশের কারণে। এমন কত কারণই ঘুরে বেড়ায়। একজন প্রকৃত কবির কাজ লুকিয়ে থাকে অপ্রকাশের আড়ালে।
“অপ্রকাশিত কবি” – অপরজন পত্রিকার একটি প্রয়াস, এমন কবিদের কাজকে সামনে আনার, যাঁরা ব্যপকভাবে প্রকাশিত বা প্রচারিত নন। যাঁদের লেখা হয় এর আগে কোথাও প্রকাশিত হয়নি, অথবা কেবলমাত্র দু’একটি পত্রিকাতেই প্রকাশ পেয়েছে। অথচ যাঁরা লেখার মাধ্যমে আমাদের দেখাতে পারেন ভবিষ্যত বাংলা কবিতার বাঁক।
বিভাগ সম্পাদনা করছেন, রাহেবুল।"
বিবৃতি: অপরজন পত্রিকা

সব সংখ্যার লিংক:


১. অপ্রকাশিত কবি ১ জিয়াভাই-এর কবিতা

https://aparjan.com/2021/03/06/february2021-ziarpo/

২. অপ্রকাশিত কবি প্রতিভা বর্মণ-এর কবিতা

https://aparjan.com/2021/03/31/march2021-undopo/

৩. অপ্রকাশিত কবি গোবিন্দ সরকার-এর কবিতা

https://aparjan.com/2021/04/30/april2021-undopo/

৪. অপ্রকাশিত কবি ইলিয়াস খান-এর কবিতা

https://aparjan.com/2021/05/30/may2021-undopo/

৫. অপ্রকাশিত কবি আসরাফুল -এর কবিতা

https://aparjan.com/2021/06/26/june2021-undopo/

৬. অপ্রকাশিত কবি প্রিয়াঙ্কা ভট্টাচার্য্য-এর কবিতা

https://aparjan.com/2021/07/31/july2021-undopo/

৭. অপ্রকাশিত কবি মহিউদ্দিন সাইফ-এর কবিতা

https://aparjan.com/2021/09/30/september2021-undopo/

৮. অপ্রকাশিত কবি দেবরাজ দে-এর কবিতা

https://aparjan.com/2021/11/06/october2021-undopo/

৯. অপ্রকাশিত কবি দেবমিত্রা চৌধুরী-এর কবিতা

https://aparjan.com/2021/12/04/november2021-undopo/

১০অপ্রকাশিত কবি ১০ কৃষ্ণ দাস-এর কবিতা

https://aparjan.com/2022/01/09/december2021-undopo/

১১. অপ্রকাশিত কবি ১১ দেবকুমার দাস-এর কবিতা

https://aparjan.com/2022/01/30/january2022-undopo/

১২. অপ্রকাশিত কবি ১২ জ্যোতির্ময় বিশ্বাস-এর কবিতা

https://aparjan.com/2022/03/02/february2022-undopo/

১৩. অপ্রকাশিত কবি ১৩ মহঃ শাহ্ নওয়াজ-এর কবিতা 

https://aparjan.com/2022/03/27/march2022-undopo/




Thursday, December 9, 2021

‘ব্লিডিং বরষে হৃদি’র আনুষ্ঠানিক প্রকাশ

 

প্রকাশিত হল রাহেবুলের দ্বিতীয় কাব্যি ‘ব্লিডিং বরষে হৃদি’ 

'ব্লিডিং বরষে হৃদি'র মোড়ক উন্মোচনে কবি দেবজ্যোতি রায়, কবি সুবীর সরকার।

'ব্লিডিং বরষে হৃদি'র মোড়ক উন্মোচনে কবি দেবজ্যোতি রায়, কবি সুবীর সরকার।












৮ ডিসেম্বর ২০২১ আলিপুরদুয়ার ব্যবসায়িক সমিতির টাউন হলে সন্ধ্যাকালীন একটি ঘরোয়া অনুষ্ঠানের মাধ্যমে কবি রাহেবুলের দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ ‘ব্লিডিং বরষে হৃদি’র আনুষ্ঠানিক প্রকাশ সুসংঘটিত হল। বইটির মোড়ক উন্মোচন করেন অগ্রজ দুই কবি দেবজ্যোতি রায় ও সুবীর সরকার। অনুষ্ঠানটির আয়োজক 'ব্লিডিং বরষে'র প্রকাশক ‘শাঙ্খিক’ তথা তার কর্ণধার কবি সুকান্ত দাস।