Wednesday, March 4, 2020

কেন লিখি কবিতা - রাহেবুল


কবিতা কেন লিখি: রাহেবুল


আমি যে একদিন কবিতা লিখব এ কথা কি আমি জানতাম? আমি কি জানতাম আমাকেও একদিন লিখতে হবে? কবিতা নিয়ে তো কোনো প্যাশন ছিল না কদাচ, আজও যেমন নেই। ঘটনা হল ওই এগারো ক্লাসে পড়া পর্যন্ত আমি কিছুই লিখিনি। নিদেনপক্ষে একটা ডায়েরি লেখবার অভ্যেসও ছিল না, সেটা অবশ্য বংশানুক্রমেই স্বাভাবিক ছিল। আম্মা আব্বা দু’জনেই নিরক্ষর, শুনেছি দাদু-দাদিও ছিলেন তাইঅবশ্য যতখানি নিরক্ষর ততখানি অশিক্ষিত ছিলেন না আম্মা-আব্বারা। আবার আর্থিক দিক দিয়ে পিছিয়ে, সামাজিক দিক দিয়ে পিছিয়ে, রাবীন্দ্রিক আবহের সাংস্কৃতিক পরিবেশ কামনা করাও অবাঞ্ছনীয় এখানে। কিন্তু নৃতাত্ত্বিকভাবে উত্তরবঙ্গের মূলনিবাসী রাজবংশী হওয়ার সুবাদে নিজস্ব লোকসংস্কৃতির অভাব ছিল না পরিমণ্ডলে, বিশেষ বাধা ছিল না উদার-মুক্তমনা হওয়ার। বিভিন্ন জাতি, আদিম ধর্মাচার এবং অধিক প্রচলিত ইসলাম, খ্রিস্টান, হিন্দু প্রভৃতি ধর্মের মানুষের মধ্যে সম্প্রীতির অভাব ছিল না, সমন্বয়ই ছিল অবাধ। এইভাবে বড়ো হওয়া। উপাদান আরও অগাধ রয়েছে ঠিকই, যেমন বাপের বংশাণু— আরও কত কি— কিশোরবেলার স্মৃতিতে তা অক্ষত—'যত নষ্টের গোড়া’ খুঁজলে ওখানেও পাওয়া যাবে অনেক অনেক। এরপর প্রিয় দুই বন্ধু এরসাদ ও আলি(জুলফিকার) এর সঙ্গে সম্পর্ক-সংঘাত, কত কিছু করতে চাওয়া, তিনে মিলে যেন বিপ্লব সংঘটিত হবে, কত রাত্তির ভাট বকা ভাঙাকুড়ার কালভার্টে বসে কী অধুনা লুপ্ত কাশিয়াবাড়ির হাটে। অথচ বিপ্লব আর ব্যর্থতা, ব্যর্থতা আর থমকে না থাকা এসব তখনও ছিল অজানা (আজও কি সবখানি জানা?)। মাঝে কুটিল পিরিতি-প্রেম, তারও আগে কামকুম্ভীরের কামড়, ইত্যাকার আদিমতা, আহ্লাদ। আর ব্যক্তিতে ব্যক্তিতে, ব্যক্তিতে পরিবারে, ব্যক্তিতে সমাজে, ব্যক্তিতে ধর্মে, ব্যক্তিতে রাষ্ট্রে শতেক দ্বন্ধ-ধন্ধ, ধাঁধা। এক মরমিয়া, পরম পিয়া মৃত্যু, ওসময় আপনার হয়ে চলেছে। সময় অতিক্রান্ত হয়; দ্যে লিখি “মরণরে তুহু মম রাধেসমান” তখন-এখন, মগডালে ঝুলে আত্মের হনন। তখন সর্বাত্মক ট্রমা-অ্যাঙজাইটি-হ্যালুসিনেশন-নাইটমেয়ার, শীতেঘুম ফ্যান্টাসি। লিখি ঘুম=মৃত্যু, মৃত্যু=ঘুমজানা হয়; পোড়ার দেশে বা কপাল মন্দে বাঁশবিদ্ধ হওয়া এখানে মনুষ্যনির্ধারিত। মানবিক তেজস্ক্রিয়তার কবলে ধুঁকে প্রতি অঙ্গ মোর। এইরকম করেই চুঁয়ে চুঁয়ে শরীর-মন-বোধ-বুদ্ধি-সত্তা থেকে বিরামহীন নির্গত হয়ে চলে টক্সিসিটি, কবিতা।
এইভাবে ভবে জন্ম হয় এক সহজ শয়তানের।

একটা কবিতা, কবিতার অপেক্ষা করি আমি... এমন একটা কবিতা... সেই আমার পরমপ্রিয় যোনিদ্বার...যাদুবিন্দু...শূন্য... শূন্যলীন।

এই যেমন; চিরতরে হারিয়ে যাওয়াটা তো অবশ্যম্ভাবী। মাত্র ক'বছরেই। অথচ এইখানে মানুষের ঢলনামা চিরন্তন। সেটা অতীতে ছিল, আজও রয়েছে, ভবিষ্যতেও থাকবে। একইরকম। 

তাহলে এরমধ্যে কী রেখে যেতে পারি পৃথিবীতে? যে যেমন ভাবে। কেউ রেখে যায় সন্তানসন্ততি, কেউ জগন্নাথদের (যারা কিনা ঠুঁটো), কেউ সুরম্য অট্টালিকা, কেউ কেবলই নিজের নরকঙ্কাল। আমি কী রাখব? কী রাখতে পারি? কবিতা? হ্যাঁ একটা কী কয়েকটা কবিতা সে কবিতা হাতবোমার মতন, হৃদয়ে ব্যথাজর্জর এক বিপ্লবীর মতন, এক ঘামে দরদর চাষা কিংবা ‘হাজার বছর ধরে পথ হাঁটা’ মুসাফিরের মতন, এক সাধুসুফিসন্ন্যাসীর মতন... এরকম ভাবি।

কবিতা কি হারায় না? হারিয়ে যায় না কালগর্ভে? বিস্মৃত হয়না মানুষের স্মৃতিতে? হয়। হারিয়ে যায়। বেখবর হয়ে যায়। কতক রয়েও যায় জিয়ন্ত। যার ঠিকেদার সেই মহাকাল। সে কথা তাই আমি ভাবি না তিলেকও। বরং একজন বেশ্যা-মাগির মতই আমিও খদ্দেরের অপেক্ষা করি, কালের গর্ভে নিজেকে সঁপে দিই— কালের কাছে জমা রাখি কবিতা।

প্রথম কাব্যি ‘মদীয় ফ্যান্টাসি’ (সৃষ্টিসুখ, কলিকাতা, জুলাই ২০১৯) এর উৎসর্গপত্রে কয়েছি
মাহুতমৈষালগাড়িয়ালঘড়িয়াল
ব্লেডবমিবোমাবারুদ
বাউদিয়াবাউলিয়াবাথানবোহেমিয়ান”

কেন এইসব কওয়া?
আসলে বারেবার কতক জিনকোড, কতক বারকোড এড়াতে চা সিসিটিভির সম্মোহনী চক্ষু। লুকোতে চা তবু তারা ধরা পড়ে যায়, রাষ্ট্র তাদের বায়োমেট্রিক নিলামে তোলে, রাজদ্রোহী বানায়, দেশদ্রোহী বলে—প্রকাশ্যে খাপ বসে। দেশে-বিদেশে-স্বদেশে, গাঁয়ে-গঞ্জে, গ্রামে-শহরে, কেন্দ্রে-বিকেন্দ্রে মাৎসন্যায়, জেনোসাইড। ফকিরেরা এসে  দাঁড়ায় কবিতার কাতারেসর্বদিকে জোতদার, জমিদার, দেওয়ানি, প্রাইভেট লিমিটেড কর্পোরেটের মতোন রাষ্ট্র হা-মুখ স্বৈরাচারে মাতে যেনো সে কোনো এক লুপ্ত বা লুপ্তপ্রায় কিংবা আগামীর কোনো ঈশ্বরাল্লাহ্‌।
 
পেরিয়ে আসি নখের আঁচড়। আদতে আত্মগোপন করি, সেক্সিসংগ্রামে। গদ্যে বলি সে গোপন ইস্তাহার “সোমত্থ ব্লেডের সহিত ইবলিশের যে দুরন্ত সেক্সিমিলন ইহাকেই কাব্যি বলেছেন সাধো” 

আমার জন্মদাত্রী স্পেকট্রামে ভাসমান তামাম কেওস ও ক্রাইসিস।

বধ্যভূমিতে বসে বাধ্যত লিখি। বিক্ষুব্ধ ব্লেড দরিয়া গায়, সমানে গলে পড়ে মহাঘড়ি, কালচক্র। এইখানে র‍্যাপে-রকে-হিপহপে-মিলাদে-কীর্তনে আসর মাতায় প্রিয় বমনেরা, রমণকে ডাকে বগা (বগা=মুই)। এক আউলিয়া এক বাউদিয়া এক বোহেমিয়ান, এক একা মৈষাল, একা মাহুত— ভাতের তীর্থে, বিষভুবনে গণগান ধরে। এই বিগ বিগ ব্যাং-হরিণী-গোরু-গিরগিটি-বেজি-ছুঁচোর মেহেফিলে নূতন হই, উপজাই, লয় হয়, ক্ষয় হয়। প্রক্রিয়াটির নাম কবিতা, গিনিপিগটি আমি। হতে হতে স্বয়ং কবিতা হই। আর অহং কবি হয়।

[রাজেশ চন্দ্র দেবনাথ সম্পাদিত ত্রিপুরার ছোটো কাগজ ‘দৈনিক বজ্রকণ্ঠ’-এ (২০২০) প্রথম প্রকাশিত]

Thursday, January 9, 2020

রাহেবুলের কবিতা: হে


রাহেবুলের কবিতা: হে



সে আছিল ফুল মুন রাত্তির। তুই আর আমি। ড্রোনে কুমকুম।
বৈতরণীর পাড়ে বসত গেড়ে হাওয়া খায় অরাজনৈতিক স্যালাড।
আসমানিদখল কারে কয়? ভেবে পাগল ভবা


রচনাকাল: ১৩.০৩.২০১৭

[১৪ জুন ২০১৯-এ প্রকাশিত রাহেবুলের প্রথম কাব্য 'মদীয় ফ্যান্টাসি'র অন্তর্ভুক্ত একটি কবিতা এটি]

Saturday, May 11, 2019

রাহেবুলের কবিতা - মরাভরাচান্দ্‌


রাহেবুলের কবিতা - মরাভরাচান্দ্‌  

ইতিমধ্যে অনেকের প্রিয় , 'নতুন কবিতা' পত্রিকায় প্রকাশিত এই কবিতাটি এবারে ব্লগের পাঠকের জন্যে ... প্রিয় পাঠকের মন্দলাগা-ভালোলাগাটুকু অধমের পাথেয় হোক 😍

 




মরাভরাচান্দ্‌

কথা ছিল ভাঙার  কীরূপ কথা , কাহার লগে , তাহা ছিল অনুল্লেখ


বুঝি পারম্পর্য মিলায় তাই মরা চান্দ্‌  এক
প্রিয়নখ খামচে ধরে বাঁশের পুল  ফেরে মধ্যবিত্ত মৃগয়া


আমাদিগের গরমের ছুটি  আমাদিগের ভেলাটান  আর সাতকালের সমুদ্দূর




Thursday, November 22, 2018

মদীয় ফ্যান্টাসির প্রচ্ছদ - রোহণ কুদ্দুস






'মদীয় ফ্যান্টাসি'র প্রচ্ছদ ও এ নিয়ে প্রচ্ছদশিল্পী রোহণ কুদ্দুসের দু-চার কথা ...



রাহেবুল বিরচিত প্রথম কাব্যি  'মদীয় ফ্যান্টাসি' । 'মদীয়  ফ্যান্টাসি'র প্রচ্ছদ নিয়ে প্রচ্ছদ-শিল্পী রোহণ কুদ্দুসের দুইখান কথা যা তিনি তাঁর ব্যক্তিগত ফেসবুক টাইমলাইনে শেয়ার করেন , এখানে হুবহু তা রইলো ... 😘



মাঝে মাঝে কবি-লেখকরা চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেন প্রচ্ছদকরিয়ের দিকে । তেমনই একজন রাহেবুল । তাঁর কবিতা সংকলন প্রকাশ পেতে চলেছে । কবিতাগুলো একটু অন্যরকম , যেমন আমরা পড়তে অভ্যস্ত , তেমন নয় । আর প্রচ্ছদ-ভাবনা নিয়ে রাহেবুল যা লিখেছিলেন , তাতে আমি সামান্য বিরক্তই হয়েছিলাম । তাঁর কবিতার মতোই বিমূর্ত কিছু ভাবনা । সরোজকে বলেছিলাম -- "কবিকে বলো নিজেই প্রচ্ছদ করে নিক ।" কিন্তু শেষমেশ তা বললে তো আর কাজ শেষ হয় না । দায়িত্ব যখন নিয়েছি , শেষ তো করতেই হবে । এই প্রচ্ছদে আমার কৃতিত্ব বলতে ফোটোগ্রাফার সোনিয়াকামোজ-এর এই ছবিটা খুঁজে বের করা । প্রয়োজনীয় অনুমতি এবং অন্যান্য দরকারি কাজ সেরে রাহেবুল-এর 'মদীয় ফ্যান্টাসি'-র কাজ শেষ করা গেল । কবি কী বললেন? "প্রচ্ছদের ব্যাপারে আমার ঝোঁকটা ছিল বিমূর্তের দিকে... কারণ আমি আশঙ্কা করছিলাম বইটির নাম আর লেখা অনুসারে মূর্ত-প্রচ্ছদ হয়তো বা খাপ খাবে না । কিন্তু প্রচ্ছদটি দেখার পর আশঙ্কা এক ঝটকায় দূরীভূত । জাস্ট দুর্দান্ত হয়েছে ।" কবি খুশ তো আমরাও খুশি ।

.........

ইবারে কাব্যিখানি পড়ে পাঠক খুশ হলে কবি ও প্রকাশকও ['সৃষ্টিসুখ'] খুশি , এ বলতে দ্বিধা কীসে ? 
.........

Monday, November 5, 2018

মদীয় ফ্যান্টাসি - রাহেবুল


প্রচ্ছদ , মদীয় ফ্যান্টাসি



।। মদীয় ফ্যান্টাসি - রাহেবুল ।।

রাহেবুল বিরচিত প্রথম কাব্যি  'মদীয় ফ্যান্টাসি' । এটি ২০১৯ কলকাতা বইমেলা উপলক্ষে ধরাধামে অবতীর্ণ হতেছে [অনিবার্য কারণে বইমেলায় বইটির প্রকাশ সম্ভব হয়নি, প্রকাশের সম্ভাব্য দিন ১৪ ই জুন ২০১৯] সেই সব পাঠকবর্গের জন্যে যারা ভাষায়-ভাবে-কবিতায় নিয়ত নূতন হতে চান , নূতন কিছু ধারণ করেন ভাবনায় , বিকল্প-অফবিট-অপর-অন্যরকম এর সন্ধান করেন ! এই বই পুরাতনকে নতুন করে উলটেপালটে দেখা । যাদের  উটকো , উৎকট , উদ্ভট , খাপছাড়া , আধখ্যাঁচড়া , আঁতেলীয় , আবালীয় বয়নে অ্যালার্জি নেই তাদের সর্বাগ্রে ভালোলাগবে মদীয় ফ্যান্টাসি । 

গতানুগতিকের বাইরে হাঁটতে ইচ্ছুক , ভাষা-ভাব-শব্দ-শৈলী-বাক্য-বাক্যাংশ-ধ্বনি-ছন্দ ইত্যাদি যন্ত্রাংশ নিয়ে পাগলামো পছন্দ করেন কী ? তাহলে এই পরীক্ষানিরীক্ষামূলক লেখাদের বইটি আপনারই ফ্যান্টাসি । 

কবির নাম শোনেননি ইতিপূর্বে তাই তো ? 
কবি এক চালচুলোহীন , গডফাদারহীন , গ্রুপহীন  বগা । কবিতার কাছে একমাত্র  যে দায়গ্রস্ত  , মৌলিকের সঙ্গে যার মৃত্যু বাঁধা ।

বইটির কবিতাগুলি প্রায় সবই পূর্বে প্রকাশিত হয় পশ্চিমবঙ্গ , বাংলাদেশ , বরাক উপত্যকা থেকে প্রকাশিত  'নতুন কবিতা' , 'মধ্যবর্তী' , 'পাগল বনে' , 'হেমলক' , 'ইবলিশ' , 'কবিতার লাইট হাউস' , 'শাঙ্খিক' , 'রেখাচিত্র' প্রভৃতি লিটল ম্যাগাজিনে । কিছু লেখা প্রকাশিত হয়  'শূন্যাঙ্ক' , 'কারনেশন',  'জল্প-ই', 'অংশুমালী'  এর মতোন ব্লগজিনে । তাই এখানে পত্রিকার সম্পাদক/কর্তৃপক্ষের অবদানটুকু স্বীকার্য ।  


মদীয় ফ্যান্টাসি প্রকাশ করছেন  কলকাতাস্ত সৃষ্টিসুখ প্রকাশনা ...
যথাসময়ে  সৃষ্টিসুখের ওয়েবসাইট থেকে অনলাইনেও বইটি সংগ্রহ করা যাবে , অফলাইনেও পাওয়া যাবে তাদের কলকাতাস্ত বিপণনী ও অন্যত্র থেকে ।

বইটির প্রচ্ছদ করেছেন শিল্পী রোহণ কুদ্দুস (সোনিয়াকামোজ) ... শিল্পীকে আন্তরিক ভালোবাসা ...

প্রিয় পাঠকবন্ধু অবশ্য অবশ্যই কবির প্রথম বইটি পড়ুন এই আবদার রইছে কবির তরফে , আর ভাগ করে নিন আপনার মন্দলাগা-ভালোলাগাটুকু । ভালো থাকুন সকলে ।  
                                                           

                                                                                                              
প্রকাশকের ঠিকানাঃ 
30A Sitaram Ghosh Street, Kolkata 9
Mobile- +91 90512 00437
Monday – Saturday: 12:00 – 18:00

Tuesday, October 16, 2018

রাহেবুলের কবিতা - বগা ও শর্টসার্কিট


স্বাগত পাঠক... নিন রাহেবুলের একটি উটকো কবিতা ... 😨  আপনার পাঠপ্রতিক্রিয়াটুকুই অধমের সবেধন ... 😍


বগা ও শর্টসার্কিট

তাহার নিমিত্ত বিজনে বসিয়া বাপোই । সিরিঞ্জের অবশেষটুকু সিরামের স্বজন হচ্ছে নিরন্তর ।
গন্ধে পুড়ছো নাকি  প্রমিত শর্ট সার্কিট ? শহর চাপা হয় চাপা হয় ।


হইতে থাকে । চাপা মাইক্রোফোন আর উড্ডীন ক্ষ্যামতা এক যোগে শেখে বিয়োগবিধুর ।
কোনো চিলমারির চরে এক বগা হইতে থাকে লুট— আইসো  আমার তামস হে—


#রাহেবুল
#বগা#শর্টসার্কিট

Friday, October 5, 2018

রাহেবুলের কবিতা জিও


স্বাগত পাঠক । পড়ুন  । ভালোবেসে বা তাচ্ছিল্যে  ... 

রাহেবুলের কবিতাঃ জিও




রাহেবুল
জিও
  

দুঃখ কোরোনা গো হিয়া হারানোর লাগিবরং সেটুক প্রিয়প্রিয় আয়াতমহল্লা
যাক খাক না জমিয়ে রাখা তার যতেক ঠোঁট জানু-সোনা অ্যালকোহলিক সেই ভাইরাসে
আপন মতো কইরে বাঁইচে দেখাও না তারে , তুই অনেকানেক অনেকানেক 
হেডফোনে ছড়াক মেটালগুঞ্জন  , ইহাতেই  রাধিকাভঞ্জন , কানুরো পীরিত  
পারা যায় যত , শস্ত্র কর খালি কবেকার অ্যাসিডবৃষ্টি ? ভুল যা সিমসিম ।
খালি হাতে বাঁচ তো সখাসই কাকতাড়ুয়ার মনে সর্ষে ফুটিতেছে ; চক্ষু মেলো ।
ইহাতে নিঃস্ব হইবে বা বাসাবাসি হলেইবা ? জিও জিও







...........

[ কৃতজ্ঞতাস্বীকারঃ লেখাটি কবি-সম্পাদক বিশ্বরূপ দে সরকার সম্পাদিত 'মধ্যবর্তী' পত্রিকায় পূর্বে প্রকাশিত হয় , ২০১৮ যিশু অব্দে ]

............





... পাঠক আপনারই মন্দলাগা-ভালোলাগাটুকু প্রাপ্তি ...